1. admin@dailyhumanrightsnews24.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জগন্নাথপুরে লাখ টাকার মাদকদ্রব্য সহ হিজড়া গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জে সময় টিভির ১৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত। বোরহানউদ্দিনে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু শ্বশুর বাড়িতে জামাইয়ের গলায় দড়ির ফাঁসি জগন্নাথপুরে মারামারি মামলার ৭ আসামী গ্রেপ্তার উপজেলা নির্বাচনের বাতাস বইছে পঞ্চগড় জেলা জুড়ে উপজেলা নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে এগিয়ে নুরুল হুদা জগৎপুর আশ্রমের ১২৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর ঢোলবাদন জগন্নাথপুরে সোনালী ফসল বোরোধান কাটা শুরু , কৃষক- কৃষাণীর মূখে হাসি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে সন্তান রফিকুল ইসলাম ( মিটু )।

ভারতে পালানোর পরিকল্পনা ছিল শীর্ষ সন্ত্রাসী মোশার

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০২৩
  • ২৫ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার :

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মোশা বাহিনীর প্রধান শীর্ষ সন্ত্রাসী মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া ওরফে মোশার ভারতে পালানোর পরিকল্পনা ছিল। এ কারণে তিনি তার অন্যতম সহযোগী দেলোয়ারকে নিয়ে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে আত্মগোপনে যান। তার আগেই তাকে গ্রেফতারর করে র‍্যাব।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) দুপুর রাজধানীর কাওরান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি জানান, গত ২৫ তারিখ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্থানীয় জনগণ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা, গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ ২০-২৫ জন গুরুতর আহত হয়। ওই ঘটনায় রূপগঞ্জ থানা পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা ও অন্য আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়।

তিনি আরও বলেন, পরে গতকাল রাতে র‍্যাব-১১ ও র‍্যাব-১৩ এর যৌথ অভিযানে কুড়িগ্রাম থেকে মোশা বাহিনীর প্রধান মূলহোতা ও শীর্ষ সন্ত্রাসী মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া ওরফে মোশা ও তার অন্যতম সহযোগী  দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তী সময়ে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে রূপগঞ্জের নাওড়া এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা তাদের বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।

র‍্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, মোশা তার বাহিনী নিয়ে রূপগঞ্জ ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা, ধর্ষণ, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, প্রতারণা, জমি দখল, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তার দলের সদস্য সংখ্যা ৭০-৮০ জন। মোশারফের নেতৃত্বে এই সন্ত্রাসী দলের সদস্যরা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, অবৈধভাবে জমি দখল, হুমকি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসাসহ অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করত। কেউ চাঁদা দিতে রাজি না হলে মোশা বাহিনীর সন্ত্রাসীরা বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করত। অবৈধভাবে জমি দখল, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তারা দেশী ও বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করত। এছাড়াও এলাকার সাধারণ জনগণ মোশা বাহিনীর সন্ত্রাসীদের জন্য সবসময় আতঙ্কে থাকত। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র, প্রতারণা ও মাদকসহ বিভিন্ন মামলার তথ্য পাওয়া যায়।র‍্যাব জানায়, গত ২৫ মে রূপগঞ্জের নাওড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সহিংসতার সৃষ্টি হলে মোশা বাহিনীর ৭০-৮০ জন সন্ত্রাসীরা এলাকায় শোডাউন, লোকজনকে মারধর এবং গুলিবর্ষণ করে। স্থানীয় লোকজন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বর্ণিত ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করে। পরবর্তীতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মোশা বাহিনীর সন্ত্রাসীরা তাদেরকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এক পর্যায়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী মোশারফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করলে মোশা বাহিনীর সন্ত্রাসীরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর চড়াও হয়ে অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ৫/৬ জন পুলিশ সদস্যকে আহত করে শীর্ষ সন্ত্রাসী মোশারফকে ছিনিয়ে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

র‍্যাব আরও জানায়, মোশারফ স্থানীয় একটি বিদ্যালয় থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য সে ‘মোশা বাহিনী’ নামে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে। তারা দীর্ঘদিন যাবত রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, হত্যা, হত্যা চেষ্টা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, অর্থের বিনিময়ে ভূমি দখলসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত। বর্ণিত ঘটনার পর সে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী এলাকায় আত্মগোপনে চলে যায়। পরবর্তীতে আত্মগোপনে থাকাকালীন সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, বিস্ফোরক দ্রব্য, চাঁদাবাজি, মাদক ও প্রতারণাসহ ৪০টির অধিক মামলা রয়েছে বলে জানা যায় এবং বিভিন্ন মেয়াদে সে একাধিকবার কারাভোগ করে।

এছাড়া গ্রেফতার দেলোয়ার হোসেন স্থানীয় একটি বিদ্যালয় থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করে। তিনি মোশারফ এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় হত্যা, হত্যা চেষ্টা, চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তার বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় বিভিন্ন অপরাধে ৫টির অধিক মামলা রয়েছে বলে জানা যায় এবং তিনি বিভিন্ন মেয়াদে একাধিকবার কারাভোগ করেছে। উক্ত ঘটনার পর তিনি মোশারফের সাথে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী এলাকায় আত্মগোপনে চলে যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park