1. admin@dailyhumanrightsnews24.com : admin :
শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
র‌্যাব-৫ হাতে চারঘাটে মাদক ও অস্ত্র সহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার বারহাট্টা উপজেলা নির্বাচনে ৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত মানুষকে সর্বজনীন পেনশন স্কীমের আওতায় আনার লক্ষে জগন্নাথপুরে মতবিনিময় সভা শমশেরনগর হাসপাতালে যুক্ত হলেন ইংল্যান্ড প্রবাসী তিন সফল নারী শমশেরনগর হাসপাতালে যুক্ত হলেন ইংল্যান্ড প্রবাসী তিন সফল নারী নেত্রকোনার ৩ উপজেলাতেই নতুনরা নির্বাচিত রানীগঞ্জ -হলিকোনা সড়কের করুন দশা, জনগণের ভোগান্তি জগন্নাথপুরে প্রভাষক মাওলানা মোঃ তরিকুল ইসলাম এর যুক্তরাজ্য গমন উপলক্ষে বিদায়ী সংবর্ধনা জমে উঠেছে লংগদু উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, প্রচারনায় ব্যস্ত প্রার্থীরা নড়াইলে পূর্বশত্রুতার জেরে নিলয় কে হত্যা,প্রধান আসামি সাকিল গ্রেফতার।

জগন্নাথপুরে কমেছে পিঁয়াজ, মোরগ, ডিম ও সবজির মূল্য, মাছের মূল্য আকাশচুম্বী

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৯ জুন, ২০২৩
  • ৭৩ বার পঠিত

 

হুমায়ূন কবীর ফরীদি, স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

জগন্নাথপুরে মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে পিঁয়াজ, মোরগ ও সবজির মূল্য কমেছে। এতে ক্রেতা সাধারনের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। তবে দেশী আর বিদেশি প্রজাতির যাই হউক মাছের মূল্য আকাশচুম্বী।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা সদর জগন্নাথপুর বাজার, কলকলিয়া বাজার, কেশবপুর বাজার, মোহাম্মদগঞ্জ বাজার, রানীগঞ্জ বাজার, মীরপুর বাজার ও চিলাউড়া বাজার সহ উপজেলার সকটি ছোট-বড় হাট-বাজার গুলোতে জাত বেদে প্রতি কেজি পিঁয়াজ ৯০ থেকে ১০০ শত টাকায় বিক্রি হয়েছে। সম্প্রতি ভারত থেকে পিঁয়াজ আমদানি হওয়া বর্তমানে অত্রাঞ্চলে পিঁয়াজ এর মূল্য হ্রাস পেয়ে প্রতি কেজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও সবজি, মোরগ ও ডিম এর দাম কমেছে। এতে ক্রেতা সাধারনের মাঝে মোটামুটি স্বস্তি দেখা দিয়েছে। তবে মাছের মূল্য আকাশচুম্বী পর্যায়ে ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। ৯ ই জুন রোজ শুক্রবার উপজেলা সদর বাজার সহ বিভিন্ন ছোট-বড় হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে ও জানাযায়, বিগত ৪/৫ দিন আগেও এই উপজেলার বাজার গুলোতে প্রতি কেজি পিঁয়াজ চড়া মূল্যে বিক্রি হলেও ভারত থেকে পিঁয়াজ আমদানি হওয়ায় কেজি প্রতি ৪০থেকে৫০ টাকা কম মূল্যে অর্থাৎ জাত বেদে প্রতি কেজি পিঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। এবং ঢেড়শ, ঝিঙা, টমেটো, কোমরা, বরবটি, পুঁইশাক ও কাকড়োল ইত্যাদি সবজি কেজি প্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা মূল্যে ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে। এবং ইতিপূর্বে প্রতি কেজি মোরগ ২০০ শত টাকা থেকে ২২০ টাকা মূল্যে বিক্রি হলেও বর্তমানে কেজি প্রতি ২০ টাকা কমে অর্থাৎ ১৮০ টাকায় হচ্ছে। আর ইতিপূর্বে একহালি ডিম ৬০/৬৫ টাকা মূল্যে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ এর মাঝে কিছুটা হলেও স্বস্তি বিরাজ করছে। এদিকে উপজেলার হাওর -ঝাওর ও খাল-বিল পানি শূন্য। নদ-নদীর পানি তলানীতে। বাজার গুলোতে দেশী প্রজাতির মাছ নাই বললেই চলে। শতকরা ২/৩ জন ব্যবসায়ীর কাছে দেশী প্রজাতির মাছ থাকলে বাদবাকী ব্যবসায়ীদের কাছে তেলাপিয়া, পাংগাস ও জাটকা জাতীয় ফিসারীর মাছ রয়েছে। যা ক্রেতা সাধারনের চেয়ে মাছ তুলনামূলক ভাবে অনেক কম। তার উপর দাম হাঁকাচ্ছেন আকাশ ছোঁয়া। মৎস্যজীবিরা দুর্দশাগ্রস্ত।
এব্যাপারে মাছ ব্যবসায়ী শুশীল,সমিরন ও রানু সহ একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, দেশী প্রজাতির মাছ পাওয়া যায় না। পেলও দাম বেশী। আর ফিসারীর মাছ দাম মোটামুটি সহনশীল। খামারীরা বেশী মাছ বিক্রি করতে চায়না। এক প্রশ্নের জবাবে তারা আরো বলেন, পুকুরে প্রচুর মাছ আছে। কিন্তু ওরা মাছ কম করে বেশী দামে বিক্রি করে। বাধ্য হয়ে পুকুরের মালিকদের মর্জি মাফিক মাছ আনি।
এ ব্যাপারে মাছ ক্রেতা রাজমত, মহিবুল হাসান, জহিরুল, নূর মিয়া,সোলেমান ও ডালিম সহ একাধিক ক্রেতা তাদের অভিপ্রায় ব্যাক্ত করতে গিয়ে বলেন, অনেক দিন হয় দেশী মাছ খাইনী। প্রায় প্রতিদনই দেশী মাছ ক্রয় করতে এসে না পেয়ে ফিসারীর মাছ নিয়ে যাচ্ছি। তাও অধিক মূল্যে। কিছু দিন আগেও যে মাছ ১০০ টাকায় ক্রয় করেছি এই মাছ বর্তমানে ২০০ শত থেকে ৩০০শত টাকায় ক্রয় করেছি। এক কথায় মাছের দাম ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।
এবিষয়ে মৎস্যজীবি, নিবারন দাস, মন্টু ও রাজেশ দাস বলেন, এবার এখনো পানি না আসায় হাওর -ঝাওর ও খালবিল কিংবা নদীতে মাছ ধরতে পারছিনা। সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। অন্য বছর চলতি সময় জাল দিয়ে মাছ ধরে ভালো ভাবেই সংসার চলতো। পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। হাওর-ঝাওরে পানি না হওয়া পর্যন্ত অভাব অনটনের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করতে হবে। তাই সরকারি ভাবে আমাদের সাহায্য করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সু-নজর কামনা করছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park