1. admin@dailyhumanrightsnews24.com : admin :
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ধর্মপাশায় দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত নড়াইলে জাপান-বাংলাদেশ গ্লোবাল নার্সিং কলেজে নির্মাণের শুভ উদ্বোধন। অধ্যক্ষের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভে নেমেছে শিক্ষার্থীরা তিতাসে যুগান্তরের ২৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত নড়াইলে ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। ইবি ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে গলাটিপে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ নিরসনে ইসলামিক ফাউণ্ডেশন কর্তৃক প্রশিক্ষণ কর্মশালা।  রাজশাহীর শিবগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডারে মাদক বহনের সময় মাদক সহ ০১জন র‌্যাব-৫ এর হাতে গ্রেপ্তার  শান্তিগঞ্জে এম এ মান্নান প্রাথমিক মেধা বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জের  রাবেয়া-আলী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

টুংটাং শব্দে মুখরিত ফুলবাড়ীর কামারপট্টি

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জুন, ২০২৩
  • ৮৩ বার পঠিত

আমিনুল ইসলাম, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুর ফুলবাড়ীতে ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে কামার শিল্পীদের ব্যস্ততা।পশু কোরবানিতে ধারালো দা, বটি, চাপাতি ও ছুরি তৈরি করছেন তারা। তাই যেন দম ফেলারও সময় নেই কামারদের। খাওয়া – নাওয়া ভুলে কাজ করছেন তারা। কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন।

ফুলবাড়ীর অনেক কামার পরিবার রয়েছে। কামারপট্টি এখন গেলেই শোনা যায় হাতুড়ি পেটানোর শব্দ। কেউ ভারী হাতুড়ি দিয়ে পেটাচ্ছেন আগুনরঙা লোহার খন্ড। কেউ ভোঁতা হয়ে পড়া দা ও ছুরিতে শাণ দিচ্ছেন। কেউবা হাপর টানছেন। কয়লার আগুনে বাতাস দিচ্ছেন।

উপজেলার বিভিন্ন কামারের দোকান ঘুরে দেখা যায় দা, ছুরি, চাকু ও বঁটির বেচাকেনা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি পিস বটি পাইকারি ২৫০ টাকা, খুচরা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, চাপাতি পাইকারি ৭০০, খুচরা ৮০০ টাকা, ছুরি সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে জবাই করার ছুরি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
তবে কামারপট্টির কারিগররা অভিযোগ করেন, তাদের পরিশ্রমের তুলনায় মজুরি অনেক কম। সারা দিন আগুনের পাশে বসে থাকতে হয়। ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা শরীরে তৈরি হয়। ফুলবাড়ীতে কমে যাচ্ছে কামার সম্প্রদায়। বাধ্য হয়ে পৈত্রিক পেশা পরিবর্তন করছে অনেকে।

উপজেলার কাটাবাড়ি গ্রামেরর কামার পরিমল কর্মকার জানান, কোরবানি ঈদে তারা প্রতিবছর বিভিন্ন ধরনের উপকরণ তৈরি করেন। এবারও এসব উপকরণের চাহিদা বেড়েছে। সারা বছর তারা যে আয় করেন, তার অর্ধেক আয় করেন এ সময়ে। কামার শিল্পের অতি প্রয়োজনীয় জ্বালানি হচ্ছে কয়লা। কিন্তু এই কয়লা এখন প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। গ্রাম-গঞ্জে ঘুরে কয়লা সংগ্রহ করতে হয়। বর্তমানে সেই তুলনায় কয়লার দামও অনেক বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে লোহার দামও।

এদিকে লোহা ও কয়লার দাম বাড়লেও সে তুলনায় কামার শিল্পের উৎপাদিত পণ্যের দাম বাড়েনি। এছাড়া আধুনিকতার ছোঁয়ায় এসব পণ্য তৈরির বেশ কিছু আবার প্রযুক্তি নির্ভর হওয়ায় কামার সম্প্রদায় আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়ছে। তাদের প্রত্যাশা সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াবে।##

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park