1. admin@dailyhumanrightsnews24.com : admin :
শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
র‌্যাব-৫ হাতে চারঘাটে মাদক ও অস্ত্র সহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার বারহাট্টা উপজেলা নির্বাচনে ৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত মানুষকে সর্বজনীন পেনশন স্কীমের আওতায় আনার লক্ষে জগন্নাথপুরে মতবিনিময় সভা শমশেরনগর হাসপাতালে যুক্ত হলেন ইংল্যান্ড প্রবাসী তিন সফল নারী শমশেরনগর হাসপাতালে যুক্ত হলেন ইংল্যান্ড প্রবাসী তিন সফল নারী নেত্রকোনার ৩ উপজেলাতেই নতুনরা নির্বাচিত রানীগঞ্জ -হলিকোনা সড়কের করুন দশা, জনগণের ভোগান্তি জগন্নাথপুরে প্রভাষক মাওলানা মোঃ তরিকুল ইসলাম এর যুক্তরাজ্য গমন উপলক্ষে বিদায়ী সংবর্ধনা জমে উঠেছে লংগদু উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, প্রচারনায় ব্যস্ত প্রার্থীরা নড়াইলে পূর্বশত্রুতার জেরে নিলয় কে হত্যা,প্রধান আসামি সাকিল গ্রেফতার।

ফুলবাড়িতে সোনালী আঁশ পাট চাষে ক্ষতির শঙ্কায় মাথায় হাত পাট চাষিদের

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৩
  • ৬৪ বার পঠিত

আমিনুল ইসলাম, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
সোনালী আঁশ পাট নিয়ে বিপাকে পড়েছেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার পাট চাষিরা।একে তো বর্ষাকালেও বৃষ্টি না হওয়ায় প্রখর খরায় পাটের আবাদ ভালো হয়নি। অপরদিকে জাগ দেওয়ার ব্যবস্থা না হওয়ায় পাট কাটছেন না তারা। এতে যেমন আমন আবাদ পিছিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, তেমনি হালকা বৃষ্টিতে ক্ষেতে পানি জমে যাওয়ায় পাট গাছের গোড়া পচে যাওয়া শুরু হয়েছে। আবার পানির সঙ্কটে জাগ দিতে গিয়ে খরচ বাড়ছে, অল্প পানিতে জাগ দেওয়ায় রং ভালো হচ্ছে না। সব মিলিয়ে পাট চাষ করে বড় ক্ষতির শঙ্কায় মাথায় হাত দেওয়ার মত অবস্থায় রয়েছেন কৃষকরা।

উপজেলার কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এই মৌসুমে ৪০ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তোষা ও দেশি জাতের পাট।
উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের হরহরিয়ারপাড় গ্রামের পাট চাষি মতিউর রহমান বলেন, আমি ২০ শতক জমিতে পাট চাষ করি। কিন্তু এবছর সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় ফসল খরায় নষ্ট হয়েছে। আবাদ কম হয়েছে। যা অবশিষ্ট রয়েছে তা একটি পুকুরে ভাড়া দিয়ে জাগ দিয়েছি। ২০ শতক জমির পাট জাঁক দিতে বাড়তি ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। এদিকে পাট কাটতে ৪ জন শ্রমিককে ২ হাজার টাকা এবং জাগ তৈরি করতে ২ জন শ্রমিককে ৮০০ টাকা দিতে হচ্ছে। ভাড়া পুকুরটিতে ১৩ থেকে ১৫ দিন জাগ দিয়ে রাখতে হবে। ২০ শতক জমিতে মোট ৫ মণ পাট পাবো বলে আশা করছি।
চাষি নূর নবী, আইনুল ইসলাম বলেন, খরার কারণে খাল-বিলে পানি না থাকায় এবছর অনেকে বাধ্য হয়ে মাছ চাষের পুকুর ভাড়া নিয়ে পাট জাগ দিচ্ছেন। আবার অনেক চাষি বৃষ্টির আশায় পাট কেটে ক্ষেতেই রেখেছেন। অনেকে পাট কাটছেন না। কেউ কেউ নদীতে জাগ দিলেও নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাট ভেসে যাচ্ছে।
মধ্যমপাড়া গ্রামের পাট চাষি সন্তোষ রায় ও প্রিয়বন্ধ রায় বলেন, আমরা নদী পাড়ের বাসিন্দা। সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় এবছর প্রায় সবধরণের ফসল নষ্ট হচ্ছে। ফলন কম হচ্ছে। আমাদের আবাদকৃত পাট নদীতে জাগ দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু কয়েকদিনে বৃষ্টিতে নদীর স্রোত বেড়েছে। জাগ দিলে ভেসে যাওয়ার শঙ্কা আছে। পাট জাগ দিতে তাই হরহরিয়ার পাড়ে ডোবা ও পুকুর ভাড়া নিয়েছি।
খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের মুক্তারপুর গ্রামের পাট চাষি দেলোয়ার হোসেন বলেন, পাটচাষে বীজ, সার-কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিক খরচ বাবদ ব্যয় হয়েছে ১৬ হাজার টাকা। এর সঙ্গে পাট জাগের খরচ অতিরিক্ত লাগছে। বর্তমান বাজারমূল্য প্রতিমন ২ হাজার ২০০ টাকা। অর্থাৎ পাট চাষে এ বছর কোনোমতে উৎপাদন খরচ উঠলেও লাভবান হবেন না তারা।
পুকুর মালিকরা জানান, কৃষকদের অনুরোধে তিনি পাট জাগ দিতে স্বল্পমূল্যে পুকুর ভাড়া দেয়া হয়েছে। ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র ব্যবহার করে পুকুরে পানি সংরক্ষণ করছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার বলেন, চলতি মৌসুমে পাটের ভালো ফলন হয়েছে। কিন্তু পাট পচানোর পানি না থাকায় চাষিরা সমস্যায় রয়েছেন। বর্তমানে বর্ষা শুরু হয়েছে। অতিদ্রুত পানি সংকট কেটে যাবে। ##

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park