1. admin@dailyhumanrightsnews24.com : admin :
বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নড়াইল সুলতান মেলা উপলক্ষে ষাঁড়ের লড়াই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লোহাগড়ায় গাঁজাসহ ২জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। জগন্নাথপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় শিশু সহ ৩ জন আহত জগন্নাথপুরে সাংবাদিক শংকর রায় এর শেষকৃত্য সম্পন্ন, বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের মানবিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন গোপালগঞ্জে নবাগত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উখিংমের যোগদান গোপালগঞ্জের উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী মাসুদ অনারস মার্কায় টুঙ্গিপাড়াবাসীর কাছে দোয়া ও ভোট ভিক্ষা চান। গোপালগঞ্জ জেলা নির্বাচন কমিশন উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক ঘোষনা করেন। লোহাগড়ায় সরকারী নিয়ম-নীতি না মেনে দিঘলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বিদেশ সফরে। জগন্নাথপুরে ওয়াশ ব্লকের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন কাউন্সিলর কামাল হোসেন

বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল জলঢাকায় কর্মরত ডিএসবির এসআই জহুরুল ইসলামের।

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৯১ বার পঠিত

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান
নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

হাতে মেহেদির গাঢ় রং আর নববধূর সঙ্গে কাটিয়েছেন মাত্র কয়েক ঘণ্টা। এরই মধ্যে হাতের মেহেদীর রং না শুকাতেই একটি ঘাতক বাস শেষ করে দিল এই নবদম্পতির সংসার।
মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ সংলগ্ন তেল পাম্পের সামনে ঘোড়াঘাট-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় নিহত হন নববিবাহিত পুলিশ কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম (৩৮)।
সেই দিন রাত ২টার দিকে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে নিহতের মরদেহ নিজ বাড়িতে নিয়ে এলে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে চারপাশের পরিবেশ।
এদিকে বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মাথায় স্বামীকে হারিয়ে নির্বাক নববধূ ও তার পরিবারের লোকজন।
জানাযায়, একই দিন দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান নিহত পুলিশ কর্মকর্তার বন্ধু মোনাইম হোসেন সুজন (৪০)।

নিহত পুলিশ কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম ফুলবাড়ী উপজেলার লক্ষ্মীপুর জয়নগর গ্রামের আফার উদ্দিনের ছেলে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়। তিনি নীলফামারীর ডিএসবির জলঢাকা জোনে উপ পরিদর্শক (এসআই) পদে কর্মরত ছিলেন। তার বন্ধু মোনাইম খয়েরবাড়ি মির্জাপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি ফুলবাড়িতে একটি ওষুধ কোম্পানির রিপেজেন্টিভ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিয়ে করতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ৭ দিনের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন জহুরুল। সোমবার (২ অক্টোবর) রাতে ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নের বানাহার গ্রামের রুমা আক্তারের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
পরদিন মঙ্গলবার সকালে বন্ধু সুজনকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে রাজশাহীর বিশেষ দায়রা জজ আদালতের জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলার সাক্ষ্য দিতে যান তিনি। সাক্ষ্য শেষে বাড়ি ফিরছিলেন তারা। পথে বিরামপুর সরকারি কলেজ সংলগ্ন তেল পাম্পের সামনে ঘোড়াঘাট-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা নওগাঁগামী ওমর ফারুক পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাস তাদের মোটসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে জহিরুল ও সুজন ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদের দুইজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঘাতক বাসটিকে জব্দ করেছে পুলিশ।

জহুরুলের চাচাতো ভাই নওশাত আলম বলেন, ভাই গত পরশুদিন বিয়ে করতে বাড়িতে এসেছিলেন। গায়ে হলুদের দিন ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। রাতে বিয়ে করে সকালে তিনি মামলার সাক্ষ্য দিতে রাজশাহী গিয়েছিলেন। ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। পরিবারের কারোই কথা বলার মতো অবস্থা নেই।
বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল জলঢাকায় কর্মরত ডিএসবির এসআই জহুরুল ইসলামের।

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান
নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

হাতে মেহেদির গাঢ় রং আর নববধূর সঙ্গে কাটিয়েছেন মাত্র কয়েক ঘণ্টা। এরই মধ্যে হাতের মেহেদীর রং না শুকাতেই একটি ঘাতক বাস শেষ করে দিল এই নবদম্পতির সংসার।
মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ সংলগ্ন তেল পাম্পের সামনে ঘোড়াঘাট-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় নিহত হন নববিবাহিত পুলিশ কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম (৩৮)।
সেই দিন রাত ২টার দিকে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে নিহতের মরদেহ নিজ বাড়িতে নিয়ে এলে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে চারপাশের পরিবেশ।
এদিকে বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মাথায় স্বামীকে হারিয়ে নির্বাক নববধূ ও তার পরিবারের লোকজন।
জানাযায়, একই দিন দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান নিহত পুলিশ কর্মকর্তার বন্ধু মোনাইম হোসেন সুজন (৪০)।

নিহত পুলিশ কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম ফুলবাড়ী উপজেলার লক্ষ্মীপুর জয়নগর গ্রামের আফার উদ্দিনের ছেলে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়। তিনি নীলফামারীর ডিএসবির জলঢাকা জোনে উপ পরিদর্শক (এসআই) পদে কর্মরত ছিলেন। তার বন্ধু মোনাইম খয়েরবাড়ি মির্জাপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি ফুলবাড়িতে একটি ওষুধ কোম্পানির রিপেজেন্টিভ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিয়ে করতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ৭ দিনের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন জহুরুল। সোমবার (২ অক্টোবর) রাতে ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নের বানাহার গ্রামের রুমা আক্তারের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
পরদিন মঙ্গলবার সকালে বন্ধু সুজনকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে রাজশাহীর বিশেষ দায়রা জজ আদালতের জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলার সাক্ষ্য দিতে যান তিনি। সাক্ষ্য শেষে বাড়ি ফিরছিলেন তারা। পথে বিরামপুর সরকারি কলেজ সংলগ্ন তেল পাম্পের সামনে ঘোড়াঘাট-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা নওগাঁগামী ওমর ফারুক পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাস তাদের মোটসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে জহিরুল ও সুজন ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদের দুইজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঘাতক বাসটিকে জব্দ করেছে পুলিশ।

জহুরুলের চাচাতো ভাই নওশাত আলম বলেন, ভাই গত পরশুদিন বিয়ে করতে বাড়িতে এসেছিলেন। গায়ে হলুদের দিন ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। রাতে বিয়ে করে সকালে তিনি মামলার সাক্ষ্য দিতে রাজশাহী গিয়েছিলেন। ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। পরিবারের কারোই কথা বলার মতো অবস্থা নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park