1. admin@dailyhumanrightsnews24.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নবীগঞ্জে জমে উঠেছে জমজমাট কোরবানীর পশুর হাট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুই ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে পরিচিত হওয়ার পথ সুগম করে গেছেন- দক্ষিণ সুরমা উপজেলা শিক্ষা অফিসার মহি উদ্দিন মৌলভীবাজার পৌরসভা কর্তৃক ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ঈদ উপহার প্রদান ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শমশেরনগর হাসপাতালে লন্ডনের সুপরিচিত মুখ নোয়াখালী জেলার জেসমিন ফেরদৌস এর পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পৌর আওয়ামীলীগের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন । থেমে নেই ‘আমরা করব জয়’ সংস্থা প্রদান করে যাচ্ছে একটির পর একটি হুইলচেয়ার মৌলভীবাজারে উৎসবমুখর পরিবেশে ওয়াইল্ডলাইফ অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্ম ও শিশু কানুন হাই স্কুলের পাশেই চলছে জমজমাট মাদক ব্যবসা জগন্নাথপুর বাস- মিনিবাস ও কোচ শ্রমিক পরিচালনা কমিটি কর্তৃক নগদ অর্থ বিতরণ মানিকগঞ্জে তথ্য অধিকার আইন- ২০০৯ বিষয়ক জনঅবহিতকরন সভায় গুজব তথ্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহবান

মাসজিদুল আকসার গুরুত্ব ও ফজিলত। হাফিজ মাছুম আহমদ

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১০১ বার পঠিত
দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ ডেস্কঃ
গোটা পৃথিবীর মুসলমানদের হৃদয়ের স্পন্দন পবিত্র আল আকসা। পবিত্র কোরআনে আল আকসার কথা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘পরম পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা তিনি, যিনি স্বীয় বান্দাকে রাতের বেলায় ভ্রমণ করিয়েছিলেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত। যার চারদিককে আমি বরকতময় করেছি যেন তাকে আমার কিছু নিদর্শন দেখিয়ে দিই।
’ (সুরা বনি ইসরায়েল : ১)। মাসজিদুল আকসার কথা পবিত্র কোরআনের আয়াতে উল্লেখ থাকাই এর গুরুত্ব প্রমাণের জন্য যথেষ্ট।
মাসজিদুল আকসা পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রাচীনতম মসজিদ। পবিত্র কাবাঘর নির্মাণের ৪০ বছর পর আল আকসা নির্মিত হয়।
আবুজর গিফারী (রা.) বলেন, ‘আমি নবীজি (সা.)-কে প্রশ্ন করলাম জমিনে কোন মসজিদ প্রথম তৈরি হয়েছিল? তিনি বললেন, ‘মসজিদে হারাম’। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, ‘মসজিদে আকসা’ আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করি এ দুটোর মধ্যে ব্যবধান কত? তিনি বললেন ৪০ বছর। ’ বুখারি মুসলিম।
মাসজিদুল আকসা মুসলমানদের প্রথম কিবলা।
রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দীর্ঘ ১৭ মাস এদিকে ফিরে নামাজ পড়েছেন। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘রসুলুল্লাহ (সা.) মক্কায় থাকাকালীন পবিত্র কাবা তার সামনে থাকাবস্থায় তিনি বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করেন। মদিনায় হিজরতের পর সুদীর্ঘ ১৬ মাস সেদিকে ফিরেই নামাজ আদায় করেন। অতঃপর কাবার দিকে মুসলমানদের কিবলা পরিবর্তিত হয়। ’ মুসনাদে আহমদ।
মাসজিদুল আকসা পৃথিবীর তৃতীয় মর্যাদাপূর্ণ মসজিদ। সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ মসজিদ হলো মাসজিদুল হারাম, তারপর মাসজিদুল নববী (সা.), তারপর মাসজিদুল আকসা। কাজের স্থান-কালের ভিন্নতায় কাজের মর্যাদা ও মান বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। তেমনি মাসজিদুল আকসায় নামাজ আদায় করলেও সওয়াব বহুগুণে বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে এক রাকাত নামাজ পড়লে ৫০০ রাকাত নামাজের সমান সওয়াব দেওয়া হয়। আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘মসজিদে হারামে এক নামাজ এক লাখ নামাজের সমান, আমার মসজিদে (মসজিদে নববী) এক নামাজ এক হাজার নামাজের সমান এবং বাইতুল মাকদিসে এক নামাজ ৫০০ নামাজের সমান। ’ মাজমাউয যাওয়াইদ। অন্য হাদিসে এসেছে, মাসজিদুল আকসায় নামাজ আদায় করলে গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। আবদুল্লাহ ইবন আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সুলায়মান ইবন দাউদ (আ.) যখন বায়তুল মাকদিস তৈরির কাজ করেন, তখন তিনি আল্লাহর কাছে তিনটি বিষয়ে প্রার্থনা করেন : এমন সুবিচার যা আল্লাহর হুকুমের অনুরূপ, এমন রাজত্ব যা তাঁর পরে আর কাউকে দেওয়া হবে না, আর যে ব্যক্তি বায়তুল মাকদিসে কেবলমাত্র সালাত আদায় করার জন্য আসবে, সে তার গুনাহ থেকে সদ্যোজাত সন্তানের মতো নিষ্পাপ অবস্থায় বেরিয়ে আসবে। এরপর রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, প্রথম দুটো তাদের দুজনকে দেওয়া হয়েছে, আর আমি আশা করি তৃতীয়টি আমাকে দান করা হবে। ইবনে মাজাহ। বিশেষ সওয়াব পাওয়ার আশায় সাধারণত বিশেষ কোনো মসজিদে নামাজ আদায় করার জন্য মুসাফির হওয়ার বিধান নেই ইসলামে। কিন্তু তিনটি মসজিদে নামাজ পড়ার জন্য মুসাফির হওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তিনি মসজিদুল হারাম, মসজিদে নববী ও মসজিদুল আকসার উদ্দেশে সফরকে বিশেষ পুণ্যময় কাজ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমরা তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনো মসজিদে বিশেষ সওয়াবের উদ্দেশ্যে পরিভ্রমণ কর না। আর সে তিনটি মসজিদ হলো মসজিদুল হারাম, আমার এ মসজিদ (মসজিদে নববী) ও মসজিদুল আকসা। ’ সহিহ বুখারি।
লেখক : বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park