1. admin@dailyhumanrightsnews24.com : admin :
শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
অপহরণকারী মানিক কে জয়পুরহাটের কাশিয়াবাড়ি থেকে গ্রেফতার ও ভিকটিম রায়তা কে উদ্ধার করেছে র‌্যাব গোপালগঞ্জে পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের জন্ম বার্ষীকি পালন। লোহাগড়ায় ৮৫ পিচ ইয়াবাসহ তেলকাড়ার রাকিব গ্রেফতার। জগন্নাথপুরে এক শিক্ষক এর ঘুষিতে অপর শিক্ষক আহত, একজন জেল হাজতে সুনামগঞ্জ জেলার ৪০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা অনুষ্ঠিত।  বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠী কর্তৃক একুশের বইমেলা পরিদর্শন জগন্নাথপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টে “পাড়ারগাঁও সোনার বাংলা স্পোর্টিং ক্লাব” চ্যাম্পিয়ন ধর্মপাশা খলাপাড়া গ্রামের লাকি আক্তার ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর পাশে কিয়ার এন্ড  সাইন ফাউন্ডেশন।  দেওয়ানগঞ্জে ‘দৈনিক সকালের সময়’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন পিপিএম পদক পেলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার আল-বেলী আফিফা

আমার বাবা আমার গর্ব আমার অহংকার -হোসনেয়ারা রুমা

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৬২ বার পঠিত

 

মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ
আমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম শাহাদৎ হোসেন গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার পাইককান্দি ইউনিয়নের পাইককান্দি গ্রামে এক সাধারন মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন ১৯৫১ সালে।
১৯৭১ সালে পাইককান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব কলীন সময়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে দেশ মাতৃকার টানে দেশ স্বাধীন করার লক্ষে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন আমার বাবা। তিনি ল্যাঃ এম মফিজুর রহমানেরনে নেতৃত্বে প্রথমে গোপালগঞ্জের নিলার মাঠে প্রশিক্ষন গ্রহন করেন পরে প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভারতের চর কুলিয়া প্রশিক্ষন কেন্দ্রে উচ্চতর প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। ভারতে প্রশিক্ষন শেষ করে কমান্ডার সরদার আবুল বশার এর নেতৃত্বে অস্ত্র সহ বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। তরপর প্রথমে যশোর জেলার শালিখা থানার তালকড়ি নামক স্থান ও বড়দিয়া যুদ্ধে অংশগ্রহন করে পাক সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। সেই যুদ্ধে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। আমার বাবার সহযোদ্ধা মোঃ আহাদ আলী ও বাচ্চু মুন্সী যুদ্ধে শহীদ হন। তিনি দেশের মধ্যে আরো কয়েক জায়গায় খন্ড যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন।তিনি আজো তার হারিয়ে যাওয়া বীর শহীদ সহযোদ্ধাদের কথা মনে করে কাঁদে এবং তিনি সব সময় বর্তমান প্রজন্মকে বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের সম্পর্কে অভিহিত করে আসছেন।
আমার বাবা দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে অস্ত্র জমা দেন এবং নিজ ছাত্রজীবনে ফিরে আসেন তিনি তার কর্মজীবনে ১৯৮০ সাল হতে ২০০৪ সাল পযর্ন্ত তৎকালীন থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের দায়িত্ব সুনামের সহিত পালন করেন।
দেশ স্বাধীন হবার পর থেকে আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধাদের সুখে দুঃখে তাদের পাশে থেকে তাদের কল্যানে কাজ করে গেছেন। তিনি আমার বাবা আমার গর্ব, আমারই অহংকার, আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বিজয়ের এই মাসে আমি আমার বাবাকে ও দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধাকে জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park