প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২২, ২০২৬, ৮:৩৩ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ৩, ২০২৩, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
জগন্নাথপুরে সুপারি বিক্রি জমজমাট

হুমায়ূন কবীর ফরীদি, স্টাফ রিপোর্টারঃ
জগন্নাথপুরে গাছে গাছে থোকায় থোকায় সুপারি ধরেছে । গাছের মালিকরা নিজ চাহিদার সুপারি ঘরে রেখে বাড়তি সুপারি হাট-বাজারে বিক্রি করছেন ও করাচ্ছেন। ক্রেতারা দাম কষাকষি করে সুপারি ক্রয় করছেন।
সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর উপজেলায় সুপারি বাগান নেই। তবে উপজেলার প্রায় প্রত্যেকটি বাড়ীতে কমিবেশী সুপারি গাছ রয়েছে। চলতি হেমন্ত মৌসুমে গাছে গাছে থোকায় থোকায় কাঁচা-পাকা সুপারি সবার নজর কাড়ছে। পান-সুপারি বিলাসী জগন্নাথপুর এর মানুষেরা নিজের প্রয়োজনীয় সুপারি ঘরে রেখে প্রায় অবশিষ্ট সুপারি হাট-বাজারে বিক্রি করছেন ও করাচ্ছেন। ৩ রা ডিসেম্বর রোজ রবিবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে ও জানাযায়, জগন্নাথপুর উপজেলা সদর জগন্নাথপুর বাজার, কলকলিয়া বাজার, কেশবপুর বাজার, চিলাউড়া বাজার,মীরপুর বাজার, শ্রীরামসি বাজার ও রসুলগঞ্জ বাজার সহ প্রত্যেকটি হাট-বাজারে পাঁকা সুপারি স্বল্প মূল্য ক্রয় -বিক্রয় হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সুপারি বিক্রেতা আজম আলী, সমরুজ মিয়া ও সাহান আলী বলেন, এবার সুপারির ভাল ফলন হয়েছে। নিজে খাওয়ার জন্য রেখে বাড়তি সুপারি বিক্রি করছি। এক প্রশ্নের জবাবে তারা আরো বলেন, আমারা সুপারি গাছের বাগান করিনি। নিজের জন্য ২০/৩০ টি গাছ লাগিয়েছি। অতিরিক্ত সুপারিশ বিক্রি করছি।
সুপারি বিক্রেতা শিশু বয়সী আলম, সুজেল ও সুয়েব একান্ত আলাপকালে জানায়, আমরা মানুষের বাড়ী বাড়ী গিয়ে সুপারির বিনিময়ে গাছের সুপারি পাড়ি। মাথাপিছু ১০০ থেকে ১৫০ টি সুপারি রোজী করতে পারি। এগুলোই বাজারে বিক্রি করছি। এমনকি অনেক মালিকের সুপারি ক্রয় করে আমরা বাজারে এনে বিক্রি করছি। এতে আমরা উপার্জন করতে পারছি।
এ ব্যাপারে সুপারি ব্যবসায়ী রাজিম মিয়, নূর আলী সহ একাধিক ক্রেতা বলেন, এখন সুপারির মৌসুম। গাছ থেকে সুপারি পাড়া শুরু হয়েছে ও ক্রয়বিক্রয় হচ্ছে। আমরা পাইকারী দামে ক্রয় করে খুচরায় বিক্রি করছি। এমনকি দেশের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানি করছি। এক প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, সুপারি পানিতে ভিজিয়ে ও শুকিয়ে রাখা যায়। এতে কোনো সমস্যা হয়না।
সম্পাদক
ও প্রকাশক : মোঃ আজির উদ্দিন সেলিম
Copyright © 2026 দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ. All rights reserved.