1. admin@dailyhumanrightsnews24.com : admin :
সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গোপালগঞ্জে  গাছে গাছে আমের মুকুল   জগন্নাথপুরে রাস্তার ঢালাই কাজ পরিদর্শন করেছেন মেয়র আক্তারুজ্জামান ইবিতে মুক্ত মঞ্চ তৈরির নামে কাটা হচ্ছে গাছ গোলাপগঞ্জে বাসচাপায় প্রাণ গেল পুলিশ সদস্যের বহিরাগত যাত্রী তুলতে নিষেধ করায় ইবি শিক্ষার্থী মারধর করলেন বাস ড্রাইভার  ইবিতে ফি সমন্বয়ের দাবিতে মানববন্ধন  জগন্নাথপুরে গাছে গাছে আমের মুকুল, চারদিকে মৌ মৌ ঘ্রাণ  গোলাপগঞ্জে গ্রেপ্তারী পরোয়ানাভূক্ত ৫ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রাজশাহী চারঘাটে শেখ রাসেল নাইট ক্রিকেট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৪ ফাইল ম্যাচ অনুষ্ঠিত। নড়াইলে মাদরাসা ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

জগন্নাথপুরে পুষ্টিগুনী পানিফল হিঙ্গাইর বিক্রির ধুম 

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৪৫ বার পঠিত
হুমায়ূন কবীর ফরীদি, স্টাফ রিপোর্টারঃ
জগন্নাথপুরে পুষ্টিগুনী পানিফল “হিঙ্গাইর” বিক্রির ধুম পড়েছে। ব্যবসায়ীরা এই ফলটি সংগ্রহ করে খোসা ছাড়িয়ে ও খোসা সহ হাট-বাজারে সুলভ মূল্যে বিক্রি করছেন। আর ক্রেতা সাধারণ স্বাচ্ছন্দ্যে সুস্বাদু হিঙ্গাইর ক্রয় করছেন।
সবুজ শ্যামলের ছায়া ঘেরা নদী মাতৃক বাংলাদেশের হাওর- ঝাওর ও বিল-ঝিলে জন্ম নেওয়া জলজ উদ্ভিদ পুষ্টি গুনে গুনাম্বীত পানিফল হিঙ্গাইর (ইংরেজি নাম Water chestnut, উদ্ভিদ তাত্ত্বিক নাম Trapa bispinosa)। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই ফলের ভিন্ন নাম রয়েছে। কোনো কোনো অঞ্চলে এই ফল সিঙ্গাড়াই ও সিংগার নামে পরিচিত  গ্রাম বাংলার অতি সুপরিচিত এই পানি ফলটি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারী মাস পর্যন্ত পাওয়া যায়। তবে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় নভেম্বর ডিসেম্বর মাসে। এই ফলের রং লাল, সবুজ, নীলাভ সবুজ কিংবা কালচে সবুজ। খোসা ছাড়ালেই পাওয়া হৃৎপিণ্ডকার বা ত্রিভুজাকৃতির নরম সাদা শাঁস। এই নরম শাঁস খেতে বেশ মজা। রশাল ও মিষ্টি-মিষ্টি ভাব। গ্রাম থেকে শুরু করে শহর এর বিভিন্ন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ২২ শে ডিসেম্বর রোজ শুক্রবার সরেজমিনে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা সদর জগন্নাথপুর বাজার সহ কলকলিয়া বাজার, রসুলগঞ্জ বাজার ও চিলাউড়া বাজার সহ উপজেলার সবকটি হাট-বাজারে  এই পানি ফল হিঙ্গাইর খোসা সহ ১শত টাকা কেজি ও খোসা ছাড়া ১শত ৯০ টাকা থেকে ২ শত টাকা মূল্যে  বিক্রেতারা বিক্রি করছেন। আর ক্রেতা সাধারণ স্বাচ্ছন্দ্যে স্বাধ্যনুযায়ী সুস্বাদু এই ফলটি ক্রয় করছেন। ভালই ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে। এই ফলের শুধু খাদ্য গুনই নয় রয়েছে ঔষধি গুনও।
পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, পানিফলের শাঁস শুকিয়ে রুটি বানিয়ে খেলে অ্যালার্জি ও হাত পা ফোলা রোগ কমে যায়। উদরাময় ও তলপেটে ব্যথায় পানিফল খুবই উপকারী। বিছাপোকা অন্যান্য পোকায় কামড় দিলে যদি জ্বালা পোড়া হয় তবে ক্ষতস্থানে কাঁচা পানিফল অর্থাৎ হিঙ্গাইর  পিষে বা বেঁটে লাগালে দ্রুত ব্যথা দূর হয়। কাঁচা পানিফল বলকারক, দুর্বল ও অসুস্থ মানুষের জন্য সহজপাচ্য খাবার। পানিফলে শর্করা ও প্রোটিন আছে যথেষ্ট। শাঁস শুকিয়ে রেখে খাওয়া যায়। শরীর ঠাণ্ডা করতে এই ফলের  জুড়ি নেই। শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে পানিফল। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর পানিফল। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল গুণ রয়েছে এই ফলের। এমনকি অ্যান্টিক্যান্সার হিসেবেও কাজ করে পানিফল। বমিভাব, হজমের সমস্যা দূর করতে পানিফলের জুড়ি নেই। অনিদ্রা, দুর্বলতা দূর করতে কাজে দেয় এই ফল। পানিফল ঠাণ্ডা লাগা, সর্দিতেও স্বস্তি দিতে পারে। ব্রঙ্কাইটিস ও অ্যানিমিয়া কমাতে পারে এই ফল। পটাশিয়াম থাকায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভালো কাজ করে পানিফল। ত্বক উজ্জ্বল আর সতেজ রাখতেও পানিফল অনবদ্য। পটাশিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন বি, ভিটামিন ই ভরপুর পানিফল চুল ভালো রাখে। প্রস্রাববর্ধক, শোথনাশক ও রুচিবর্ধক। দীর্ঘকাল থেকে পানি এই ফল ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। বাংলাদেশ ছাড়িয়ে  চীন ও আমেরিকা সহ বিভিন্ন দেশে এই পানি ফল বানিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park