মো: আজিজুর বিশ্বাস, স্টাফ রিপোর্টার,
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার, লোহাগড়া সি এন্ড বি চৌরাস্তার বাজার রোডে অবস্থিত মোর্শেদা সার্জিক্যাল ক্লিনিক এন্ড ডায়গনষ্টিক সেন্টার,আর ওই ক্লিনিকে আবারো ইলেকট্রিক শর্টের ঘটনা ঘটলো
ওই ক্লিনিকের কর্তব্যরত নার্স রিমি ( ২২) ২৭ জানুয়ারী সকালে ক্লিনিকের ছাদে কাপড় শুকাতে দেয় এবং দুপুর ১ টার দিকে ওই কাপড় আনার জন্য ছাদে যায়।
ছাদে গিয়ে দেখতে পায় তার কাপড় ৩৩ হাজার বোল্টের তারের উপর পড়ে আছে, তখন নার্স রিমি তারের উপর থেকে তার কাপড় টি আনার চেষ্টা করে এবং তখনই বিদ্যুৎ স্পর্শের ঘটনাটি ঘটে।
রুগীকে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়, রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার সম্পর্কে বিল্ডিং মালিক লুৎফুন করীম (কচির) সাথে কথা হলে তিনি বলেন, গতবার বিদ্যুৎ স্পর্শের দুর্ঘটনার পরে আমি বৈদ্যুতিক তারের পাশ দিয়ে ৬ ফিট উচু করে প্রাচীন নির্মাণ করে দিয়েছি,তার পর ও যদি দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে আমি কি করব? এই দূর্ঘটনার জন্য আমি দায়ী না,
ক্লিনিক মালিক জাকির হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার ক্লিনিকের নার্স রিমি
তো জানে ওই জায়গা থেকে এর পূর্বে ২ টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, তার পর ও সে কিভাবে এমন ভাবে দুর্ঘটনায় পড়ল? রুগীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা থেকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে।
সচেতন মহল বলেন, ওই বিল্ডিং এ এই দিয়ে ৩ বার বিদ্যুৎ স্পর্শের ঘটনা ঘটেছে, কর্তৃপক্ষ কি করে?
৩৩ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক লাইন থাকতে পৌরসভা কি ভাবে ৪ তলা ভবন করার অনুমতি দিলেন?
এবিষয়ে লোহাগড়া পৌরসভায় কথা হলে তারা বলেন এরকম ঝুঁকিপূর্ণভাবে পৌরসভা অনুমোদন দেয় না,তারা কিভাবে করে নিয়েছিল আমাদের জানা নেই,
এদিকে একের পরে এক দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে মোর্শেদা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে, বিভিন্ন সময় মানুষকে দেওয়ার হচ্ছে অপ চিকিৎসা উদ্ধতম কর্মকর্তারা যেন বিষয়টির ব্যবস্থা নেয় এটাই দাবি সাধারণ মানুষের,
সম্পাদক
ও প্রকাশক : মোঃ আজির উদ্দিন সেলিম