প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২২, ২০২৬, ৭:০২ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মার্চ ২৫, ২০২৪, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
কেন্দ্রীয় ধর্মীয় মন্দির ঢাকা মহানগর উত্তর কিছুচক্র মহল কলুষিত করার চেষ্টা ।

স্টাফ রিপোর্টার:
রক্ষকই, কীভাবে ভক্ষক হয়ে উঠতে পারে, এ যেন তারই জ্বলন্ত উদাহরণ।
সে ধারাবাহিকতায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যাচ্ছে,
কেন্দ্রীয় মন্দির ঢাকা মহানগর উত্তর ১৪/ডি মিরপুর কামরুল থানা ঢাকা ! এ ধর্মীয় মন্দিরের কিছু কুচক্র মহল ক্রুষিত করার জন্য উঠেপটে লেগেছে সনাতন ধর্মীয়কে বিশ্বাস উপর কিছু আঘাত হানার চেষ্টা করেন , এক শ্রেণীর ও কুচক্র মহল । প্রভু কে ভক্তি এবং শ্রদ্ধা করেন চাওয়া আস্থা ।সেই
মন্দিরের দীর্ঘ দিন অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক মহানগর পূজা উদযাপন কমিটি ঢাকেশ্বরী বরাবর ২৪/১০/২০২১ ইং তারিখে একটা আবেদন করেন,সেখানে মন্দিরটি সুষ্ঠু ও শান্তি এবং স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য একটি কমিটি দেবার জন্য লিখিত অনুরোধ করেন। যার দরুন মহানগর পূজা কমিটি একটি ৯০ দিনের জন্য ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেন।যার আহ্বায়ক শ্রী শুভাশিস বিশ্বাস সাধন,ও সদস্য সচিব শ্রী সমির বরন মজুমদার। মেয়াদ ৩ মাস।
উক্ত আহ্বায়ক কমিটি একটি পূর্নাংগ কমিটির প্রস্তাব মহানগর পূজা কমিটি বরাবর আবেদন করেন।যার দরুন মহানগর পূজা কমিটি গঠন তন্র অনুযায়ী ২৭/০৭/২০২২ইং তারিখে ৩ বছরের জন্য একটি ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাংগ করে দেন।সেখানে ডাঃ বিপ্লব বিজয়ী হালদার সভাপতি ও চন্দন কুমার দাস সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়। সেই কমিটি১০ মাস স্হায়ী হয়।পরে আবার মহানগর কমিটির কাছে আবেদন করা হলে মহানগর ২২/০৬/২০২৩ ইং তারিখে আবার ৯০ দিনের জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেন যাহার মেয়াদ তিন মাস। সেখানে ডাঃ বিপ্লব বিজয়ী হালদার আহ্বায়ক ও সৃতি রায় সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়।উক্ত আহ্বায়ক কমিটি সাধারণ সভার মাধ্যমে মহনগর পুজা কমিটির কাছে আবেদন করেন যাহার দরুন মহানগর পূজা কমিটি আবারও ০১/১০/২০২৩ ইং তারিখে ৩ মাসের জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেন যাহার আহ্বায়ক নিতিশ কুমার সাহা,ও সদস্য সচিব প্রনব কুমার দাস নির্বাচিত হয়।সেই কমিটি ৯০ দিনের মধৌ কোন কমিটি করতে অপারগ হয়।তখন আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব কাউকে না জানিয়ে গত ২৭/১২/২০২৩ ইং তারিখে আবারও ৪৫ দিনের জন্য এক্সটেনশন আনেন এবং আগের মতো ব্যার্থ হয়।তখন স্বাভাবিক নিয়মে মহানগর পূজা কমিটি কাফরুল শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দির ও সেবাশ্রম মন্দিরে সাধারণ সভার মাধ্যমে সভার উপস্থিতিতে ও সম্মতিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করেন সেই সাথে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাংগ কমিটি অনুমোদন করেন গত ২৩/২/২০২৪ ইং তারিখে। উক্ত কমিটি মন্দিরটি সুন্দর ভাবে পরিচালনা করে আসছে।এমত অবস্হায় গত ১৮ তারিখে কিছু হিন্দু সম্প্রদায়ের দূঃ কৃতকারী স্হানীয় কাউন্সিলর কে ভূল বুঝিয়ে একটি কমিটি অন্য নামে সুপারিশ করে মন্দিরের ভিতরে আক্রমণ চালায় যা সভ্য সমাজে লজ্জা ও ঘৃনার জন্ম হয়। কুকর্ম কারী যারা করেন তারা হলো এই সমাজে ঘৃণার পাত্র তারা হলেন , নিথিশ কুমার সাহা,শিব শংকার সাহা, সুকুমার সাহা,সজল বরন দেওয়ানজি, সংকর হাওলাদার,দিলীপ সুত্রদর, সুজিত সরকার,প্রফুল্ল রায়,প্রনব চন্দ্র দাস , অজিত দেব। শুধু তাই নয় বহিরাগত লোকদেরকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় এবং ধর্মীয় কে কুরিশতো করার জন্য , বহিরাগত ও সন্রাসী লোকজন শিব শংকরের নেতৃত্বে হামলা চালায় ও অকথ্য ভাষায় কথাবার্তা বলে । শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ এবং জয়ন্তীর এবং দোলন যাত্রা গতকাল অনুষ্ঠিত হয ২৪/৩/২০২৪ রোজ রবিবার ও ২৫/৩/২০২৪ সোমবার শ্রীকৃষ্ণের দোলন যাত্রা কীর্তন ।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পার্বণের কোনো শেষ নেই। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি পার্বণ হচ্ছে দোল পূর্ণিমা বা দোল উৎসব। দোলকে রঙের উৎসব বলা হয়, যা ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে উদ্যাপিত হয়। কোথাও এই দোল পূর্ণিমাকে দোল যাত্রা বলে। আবার ফাল্গুনী পূর্ণিমাকেও দোল পূর্ণিমা বলা হয়ে থাকে। মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যের জন্ম হয়েছিল এই পূর্ণিমার তিথিতে, তাই দোল পূর্ণিমাকে গৌরী পূর্ণিমা বলা হয়। দোল পূর্ণিমা অনেক পৌরাণিক ঘটনা। এই তিথিতে বৃন্দাবনে আবির নিয়ে শ্রী কৃষ্ণ, রাঁধা এবং তার গোপীগনের সঙ্গে হোলি খেলেছিল আর সেই ঘটনা থেকে উৎপত্তি হয় দোল খেলা।
শাস্ত্র অনুসারে বৈষ্ণবীয় উৎসবের শেষ উৎসব দোল উৎসব। ফাল্গুনী পূর্ণিমায় উদ্যাপিত এই উৎসবের উল্লেখ মেলে বিভিন্ন পুরাণে।
এবং মধ্যহ্রে নবগ্রাম এবং মহা প্রসাদ বিতরণ করেন ,কমিটির সকল ভক্তবিন্দুর প্রসাদ গ্রহণ করেন।
এদিকে সর্বজনীয় এবং শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দির ও সেবাশ্রম বর্তমান কেন্দ্রীয় মন্দির ঢাকা মহানগর উত্তর কাফরুল বিশেষ আয়োজনে , মুসলিম এবং সম্প্রদায়ের পবিত্র মাহে রমজানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েন , এবং ধর্মীয় সম্পত্তি বজায় রাখার জন্য আসন্ন দল এবং পূর্ণিমা উপলক্ষে বাৎসরিক তিন দিনের জন্য মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলো মন্দিরের নিয়মিত কার্যক্রম চলমান থাকিবে এমন একটা বাণী এবং লিফটেট লিখে মন্দির প্রতিপক্ষ , তপনেন্দ নারায়ণ হোড় সভাপতি ও দেবব্রত চক্রবর্তী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক , মুসলমান ধর্মীয় কে সম্মান দেখান।
সম্পাদক
ও প্রকাশক : মোঃ আজির উদ্দিন সেলিম
Copyright © 2026 দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ. All rights reserved.