
সালেহ আহমদ (স'লিপক):
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ২নং ভূনবীর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইশানপাড়ার নলীছড়া গাঙের উভয় পাড়ের মানুষের শেষ হলো কষ্টের দিন। একই সাথে হরগৌরী মন্দিরের পূজাপার্বনে আগত হাজারো ভক্তবৃন্দের লনীছড়া পারাপারে কষ্ট লাঘব হলো। নলীছড়া গাঙ পারাপার হতে মানুষজন পড়েতেন চরম ভোগান্তিতে। মানুষের ভোগান্তি লাঘবে ভূনবীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ তালুকদার নলীছড়া গাঙের উপর নির্মাণ করছেন ব্রীজ।
সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, ইশানপাড়া ও ভীমশী গ্রামের সংযোগ রাস্তাকে দু'ভাগ করে রেখেছে লনীছড়া গাঙ। এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থায় শতশত বছরের দুঃখের কারণ এই লনীছড়া। মানুষের ভোগান্তি লাঘব করে যাতায়াত ব্যবস্থাকে সহজিকরণে ভূনবীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ তালুকদার নলীছড়া গাঙের উপর নির্মাণ করছেন ব্রীজ। দ্রুত এগিয়ে চলছে ব্রীজের কাজ। কাজের সঠিক মান নিশ্চিত করতে চেয়ারম্যান নিজে উপস্থিত থেকে করছেন তদারকি।
রবিবার (১৬ জুন) ঈদুল আদ্বহার আগের দিন নিজের প্রয়োজনীয় কাজ ফেলে রেখে ঠায় বসেথেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজমিস্ত্রীদের কাজ তদারকি করতে দেখা গেছে ভূনবীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ তালুকদারকে।
ভূনবীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ তালুকদারের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, এখানে ব্রীজ না থাকায় নলীছড়া গাঙ পারাপার হতে মানুষজন ভোগান্তিতে পড়েতেন। ব্রীজ চালু হলে আশাকরি এলাকার লোকজন যাতায়াতের কষ্ট লাঘব হবে।
ইশানপাড়ার অরুণ পাল বলেন, হরগৌরী মন্দির সহ ভীমশী গ্রামকে আলাদা করে রেখেছিল লনীছড়া গাঙ। এখনে ব্রীজ না থাকায় হাজার হাজার ভক্তদের দুঃখের কারণ ছিল এই লনীছড়া। আমাদের চেয়ারম্যান ব্রীজ তৈরী করে দিচ্ছেন। এমনকি ব্রীজটির শতভাগ মানসম্পন্ন কাজ নিশ্চিত করতে নিজে বসে থেকে মিস্ত্রীদের কাজ তদারকি করছেন। এই ব্রীজ চালু হলে দুই এলাকার মানুষের যাতাযাত সহজ হয়ে যাবে। এলাকার মানুষ সহ হরগৌরী মন্দিরের হাজার হাজার ভক্তের মুখে হাঁসি ফুটিয়েছেন চেয়ারম্যান।
উল্লেখ্য, ১৬৩৬ সালে ভীমশী গ্রামে নির্মিত হয় হরগৌরী মন্দির। ইশানপাড়ার নলীছড়া গাঙের পাশে-ই হরগৌরী মন্দিরের অবস্থান। এখানে প্রতি বছর চড়ক পূজা সহ সনাতন ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করা হয়। এসব অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী দেশ ভারত সহ বহু দূরদুরান্ত থেকে সানতন ধর্মাবোলম্বী মানুষের আগমন ঘটে হরগৌরী মন্দিরে।
সম্পাদক
ও প্রকাশক : মোঃ আজির উদ্দিন সেলিম