
সুমন খান:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সংঘর্ষ ও সরকার পতনের জেরে সপ্তাহখানেকের বেশি সময় ধরে কর্ম বিরতিতে থাকার পর আবারও সড়কে ফিরেছেন ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা। গত সোমবার সকালে তারা নিজেদের কাজেযোগ দিয়ে রাজধানীর মোড়ে মোড়ে দায়িত্বরত শিক্ষার্থীদের ঘরে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ফিরে গেলেও এখনো কিছু কিছু জায়গায় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সহায়তা করছে অনেকে।সরেজমিনে রাজধানী মিরপুর-১ সনি সিনেমার সামনে মিরপুর জোন বিভাগে কর্মরত থাকা ইন্সপেক্টর সোয়াইবুল ইসলাম সহ আরো অনেকেই তার সাথে আনসার সদস্য এবং শিক্ষার্থীরা পুলিশ বক্স মোড়ে দেখা যায়, সেখানে রাস্তায় যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করছেন বেশকিছু ট্রাফিক পুলিশ সদস্য। এর পাশেই মিরপুর কলেজের সামনের রাস্তার মোড়েও রয়েছে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা। মিরপুর ১০ গোল চক্কর মোড়েও দায়িত্ব পালন করছেন তারা। সেখান থেকে মিরপুরের দিকে যেতে সংসদ ভবনের পেছনের চন্দ্রিমা উদ্যানের মোড়েও নিজেদের দায়িত্ব পালন করছেন ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা।এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দিকে যেতে বিজয় স্মরণী মোড়েও এদিন সকাল থেকে ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও কাওরান বাজার, বাংলা মোটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, মানিক মিয়া এভিনিউ, আসাদ গেট, ধানমণ্ডি ২৭, সাইন্সল্যাব মোড়, আগারগাঁও কলেজগেটসহ রাজধানীর বেশিরভাগ জায়গায় ট্রাফিক পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।এবিষয়ে তেজগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার স্নেহাশীষ দাশ বলেন, রমনা-তেজগাঁও এলাকা গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণে এখানে প্রায় সর্বত্র ট্রাফিক পুলিশ কাজে নেমে গেছে। বিশেষ করে তেজগাঁও এলাকার কথা বলতে পারি, এখানে ৮০ শতাংশ ফোর্স নেমেছে। আমাদের উপস্থিতির পর শিক্ষার্থীরা বাসায় ফিরে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে আমাদের ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা তাদের কাজে যোগ দিতে পারছিলেন না। এখন আবারও সকলে কাজে ফিরেছেন। এবং সবাইকে এদিকে কাজে ফেরায় পুলিশ সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় শিক্ষার্থীরা। সকালে মিরপুর ১ নম্বরে মোড়ে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। সে সময় তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন শিক্ষার্থীরা।আশা করি মানুষ স্বস্তিতে চলাচল করতে পারবে।
সম্পাদক
ও প্রকাশক : মোঃ আজির উদ্দিন সেলিম