
সুমন খান:
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর চিড়িয়াখানা মোড় এবং কমাস কলেজ সাথে, এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে রাস্তার পাশের বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে বিদ্যুতায়িত হয়ে আহত হয়েছেন পাঁচজন নিহত চাজনঁ।
নিহতরা হলেন- মো. মিজান, তার স্ত্রী মুক্তা এবং তাদের ছেলে হোসাইন। অনিক নামে আরেক ব্যক্তি মারা গেছেন।
গত বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩) রাতে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় রাস্তার পাশের বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে চারজন মারা গেছেন। বিদ্যুতায়িত হয়ে আহত হয়েছেন পাঁচজন।
আহতদের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহতের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের। এদের মধ্যে একজন শিশুও রয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে মিরপুরের জলাবদ্ধ হওয়ার কারণে ঢাকা শহর জলবদ্ধ কারণে চলাচল ও চোখে হয়ে দাঁড়িয়েছে ।
জলাবদ্ধতা নিরসনে কতটুকু প্রস্তুত ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন?
ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের। বর্ষা মৌসুম এলেই জলজটে নাকাল হতে হয় নগরবাসীকে। কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় শহরের বিভিন্ন রাস্তাঘাট। বিষয়টি এমন যে বৃষ্টি মানেই ডুবে যাবে রাজধানীর বিভিন্ন অংশ। কোথাও হাঁটুপানি, কোথাও কোমরপানি। আর যদি টানা বৃষ্টি হয় তবে জলে থৈ থৈ করে রাজধানীর বেশকিছু এলাকা।
প্রতি বছর জলাবদ্ধতার ভোগান্তি পোহাতে হয় রাজধানীবাসীকে। এর মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে- খালগুলো অবৈধ দখলে থাকা, পানিপ্রবাহ ঠিক না থাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যকর পরিকল্পনা না থাকা। তবে, ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ওয়াসার দায়িত্বে থাকা সব নালা ও খাল দুই সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর থেকে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল ও নালার প্রভাব ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন।
আসছে বর্ষা মৌসুম। বর্ষা মানেই রাজধানীতে জলাবদ্ধতা। জলাবদ্ধতা থেকে দ্রুতই মুক্তি মিলবে—প্রতি বছর এমন আশ্বাস দেওয়া হয় দুই সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। একটানা বৃষ্টিতে ভেসে যায় ঢাকা শহর। এবারও সংশয় রয়েছে সাধারণ মানুষের মনে। তারা বলছেন, প্রতি বছরই এমন কথা শুনি, বর্ষা এলেই দেখা যাবে তারা কতটা প্রস্তুত?