হুমায়ূন কবীর ফরীদি, স্টাফ রিপোর্টারঃ
জগন্নাথপুর এর পল্লীতে এক কিশোরী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে ঘটনার বিবরণে জানাযায়, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাড়ারগাঁও গ্রাম নিবাসী মৃত জহুর উদ্দিন স্ত্রী অসুস্থ রিজিয়া বেগম গতকাল ১০ ই ফেব্রুয়ারী রোজ শনিবার দুপুর প্রায় সাড়ে ১২ ঘটিকার দিকে কিশোরী মেয়ে মারজানা বেগম(২১) কে নিজ বসত ঘরে রেখে ডাক্তার দেখাতে যান। বেলা প্রায় এক ঘটিকার দিকে বাড়ী ফিরে এসে মেয়েকে ডাকা-ডাকির এক পর্যায়ে নিজ বসত ঘরের পিছনের রুমে গিয়ে দেখতে পান ঘরের তীরের সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মারজানা বেগম (২১) ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। তার আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। এবং কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ আলাল হোসেন রানা বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম এর নির্দেশনায় অত্র থানার এসআই মোঃ মিজানুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মারজানা বেগম(২১) এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করার পাশা-পাশি সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে থানায় নিয়ে আসেন। এবং লাশ জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মর্চ্যুয়ারীতে রাখা হয়। পরে ১১ ই ফেব্রুয়ারী রোজ রবিবার সকালে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। বাদ জহুর নিহতের নামাজে জানাজা শেষে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। পরিবারের লোকজন এর কোনো অভিযোগ না থাকায় এবিষয়ে জগন্নাথপুর থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কলকলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ড এর মেম্বার মোঃ মসিক আহমদ বলেন, ২১ বছর বয়সী মারজানা বেগম নামক এক কিশোরী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এই কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করার পাশা-পাশি সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে থানায় নিয়ে যান। থানা হেফাজতে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, বিগত ১০ ই ফেব্রুয়ারী বিকালে মারজানা বেগম (২১) নামক কিশোরীর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ১১ ই ফেব্রুয়ারী রোজ রবিবার এই মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।