
মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ
ঈদুল আযহার আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এরই মধ্যে জমে উঠেছে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন পশুর হাটগুলো। গোপালগঞ্জ পৌরসভা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন স্পটের অস্থায়ী হাটে খামারি, ব্যাপারী, মৌসুমি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নানা জাতের গরু-ছাগল নিয়ে আসছেন। ক্রেতারাও কিনতে শুরু করেছেন তাদের পছন্দের পশু। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর গরু-ছাগলের দাম একটু বেশি চাওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতা সাধারণ। পছন্দের পশুটি কিনতে ক্রেতারা বিভিন্ন হাট ঘুরে ঘুরে দেখছেন। ক্রেতারা বলছেন, বিক্রেতারা চড়া দাম হাঁকিয়ে বসে রয়েছেন। তাই সামর্থ্য অনুযায়ী গরু-ছাগল কিনতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। কয়েকটি হাট ঘুরে দেখা যায়, আশি হাজার থেকে এক লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে মাঝারি আকৃতির গরু, দেড় থেকে আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বড় আকৃতির গরু, দশ থেকে পনেরো লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ১০-১৮ মণ ওজনের গরু।
গোপালগঞ্জ পৌরসভার মিয়াবাড়ি, হাউজিং প্রকল্পর হাটে আসা শাহাবুদ্দিন সুজা নামে এক ক্রেতার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বিক্রেতারা চড়া দাম দিচ্ছেন, তিন চারটি হাট ঘুরে এখনো গরু কিনতে পারিনি।বনিউল আলম সবুজ নামে এক ক্রেতা বলেন, অনেক দর কষাকষির পর এক লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু নিয়েছি।
সরজমিনে দেখা যায, পছন্দের পশুটি কিনতে অনেকেই এসেছেন হাটে। কেউ একা এসেছেন, কেউ এসেছেন দলবেঁধে। ক্রেতা বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে মুখরিত গোপালগঞ্জ অস্থায়ী পশুর হাটগুলো।