1. admin@dailyhumanrightsnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আগারগাঁও ফুটপাত দখল : প্রশাসনিক এলাকার সড়ক এখন হকারদের কবজায়…. পথচারীদের নিত্য দুর্ভোগ  কেক বিক্রেতা জাকিরের দখলে পুরো রাস্তা, জনজীবন স্থবির সানন্দবাড়ী প্রেসক্লাবে কমিটি ঘোষণা  ফুলবাড়ীতে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে গেলেন এনসিপি’র এমপি প্রার্থী ডা. আহাদ বোয়ালখালীতে রাধা গোবিন্দ সেবা মন্দিরের উদ্যোগে শারদীয় দূর্গাপূজায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  ফুলবাড়ীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা বোয়ালখালীতে একুশে পদকপ্রাপ্ত ঢোলবাদক বিনয়বাঁশী জলদাসের ১১৪ তম জন্মদিবস পালিত দেওয়ানগঞ্জে বসুন্ধরা পত্রিকার ২০ বছরপূর্তি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত  রংপুর রিজিয়ন কমান্ডারের সরেজমিন পরিদর্শন, পূজা মণ্ডপে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দশ লক্ষ টাকার নারিকেল বেচাকেনায় মুখর ফুলবাড়ী বাজার

হারুয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যেনো নিয়ম নীতির উর্ধ্বে

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৮০ বার পঠিত
মোঃ মোস্তাইন বিল্লাহ
দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের হারুয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কর্তব্য ফাঁকির প্রমাণ মিলেছে।
 ২২ সেপ্টেম্বর সোয়া ৩টায় স্কুলে তালা মারা থাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ২২ সেপ্টেম্বর রবিবার সোয়া ৩ টার সময় স্কুলটির প্রতিটি শ্রেণী কক্ষ, অফিস কক্ষসহ স্কুল অবকাঠামোর গেইট তালা মারা রয়েছে, কোন একটা ছাত্র বা শিক্ষক নেই।
এক পর্যায়ে ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে আসলে স্কলের পাশে বাড়ি হওয়ায় মোঃ ফরহাদ আলম নামের একজন শিক্ষক দ্রুত চলে আসেন স্কুলে। পরে তাঁর নিকট স্কুল ছুটির কারণ জানতে চাইলে বলেন প্রধান শিক্ষক ছুটি দিয়েছেন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহজামাল মাষ্টার এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, বাড়িতে আছি, সাড়ে তিনটার পরে স্কুল ছুটি দিয়েছি। অথচ তখনও সাড়ে তিনটা বাজে নাই। একথা শুনেই কল কেটে দেন প্রধান শিক্ষক।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্কুলের পাশে বসবাস করা একজন জানান বিগত সরকারের আমল থেকেই স্কুলের নানান অনিয়ম চলে আসছে, দেরিতে স্কুল শুরু হয়, সময় হওয়ার আগে ছুটি এটা তো নিত্যদিনের রুটিন। এক সময় এই স্কুলে শিক্ষার্থী জায়গা হতো না, আর এখন ৭ জন শিক্ষক, শিশু শ্রেনী সহ ছয়টি ক্লাশে মোট শিক্ষার্থী ৩০-৩৫ জন!
একরাশ হতাশা নিয়ে আরেকজন বলেন, হেলেনা ম্যাডাম তার নিজের সন্তান সানন্দবাড়ী স্কুলে পড়ায়, সে যে স্কুলে পড়ায় সন্তান পড়ান আরেক স্কুলে, তার নিজের উপরেই তো তার বিশ্বাস নাই। আমাদের সন্তানদের আর কি পড়াবে?
এর আগে সকালে দেখা গেছে কোন কোন শিক্ষক পৌঁনে ১০টায় আবার কোন শিক্ষক সোয়া ১০টায় স্কুলে প্রবেশ করেন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক সহ প্রায় সকল শিক্ষকের দায়িত্বের অবহেলা এবং পাঠদানে অমনোযোগী হওয়ায় কমে গেছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা লক্ষনীয়ভাবে, ধ্বংস হওয়ার দারপ্রান্তে শিক্ষা ব্যবস্থা ।
এলাকাবাসী জানায় শিক্ষকরা অনেক দেরিতে স্কুলে আসেন ও দ্রুত স্কুল ছুটি দিয়ে চলে যাওয়া আর ক্লাস কম চলার কারণে কমে গেছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। স্কুলে মোট শিক্ষকের সংখ্যা ৭জন হলেও মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০ থেকে ৪৫ জন।
এছাড়াও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ। এলাকাবাসীর দাবী এই স্কুলে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হলে প্রধান শিক্ষকের অব্যাহতি সহ সকল শিক্ষকের বদলীর মাধ্যমে দায়িত্বশীল শিক্ষক দ্বারা পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেন এলাকাবাসী।
দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফাতেমা সুলতানার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ৪টার আগে ছুটি দেওয়ার কোন নিয়ম নেই, বিষয়টি তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park