রবি মিয়া ধর্মপাশা সুনামগঞ্জ( প্রতিনিধি)
ধর্মপাশা উপজেলা ২ নং সেলবরষ ইউনিয়নে সরিষাম গ্রামে পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে দুই পরিবারের সংঘর্ষে একজন গুরুতর আহত । শনিবার বিকাল অনুমান ৪.৩০ ঘটিকা এই ঘটনাটি ঘটেছে। মর্জিনা আক্তার (২৪)পিতা, রঞ্জু মিয়া, মামুন মিয়া বলেন মর্জিনা আক্তার আমার স্ত্রী।রঞ্জু মিয়া আমার শশুর ।রঞ্জু মিয়া গ্রামের সামনে বোরহান মেম্বারের একটি মৎস গর্ত করিদ করিয়া রাকিয়া মৎস্য সংরক্ষণ করিতেছে,আসামিগণ অত্যন্ত উগ্র লুটেরা ঝগড়াটে ও কারাপ প্রকৃতির লোক, ঘটনা কিছুক্ষণ পূর্বে উল্লেখিত সকল আসামিগণ কনিয়া জাল দিয়া আমার শ্বশুর রঞ্জু মিয়ার করিদার গর্তের সংরক্ষিত মৎস্য আহরণ করিতে থাকিলে আমার স্ত্রী মর্জিনা বাধা নিষেধ করে, ইহাতে সকল আসামিগন বাদা নিষেধ অমান্য করে, ও উত্তেজিত হইয়া অকথ্য ভাষা গালি গালাজ করিতে থাকে,মর্জিনা আক্তার প্রতিবাদ করায়, আসামি আল মুজাহিদ এর সঙ্গে তর্ক বিতর্ক হয়, পরে ঘটনাস্থলে আসামিগণ লাঠি লোহার রড ইত্যাদি অস্ত্রপাতি দিয়া মর্জিনা আক্তারের হাতে পায়ে পিটে বুকে কোমরে উপযুপরি বাড়িয়া ফুলা যখম করে, আঘাতপ্রাপ্ত হইয়া পরিয়া থাকিলে আসামি আল মুজাহিদ মিস্তাবুর মর্জিনা চুলের মুঠি ধরিয়া টানিয়া পরিধানের কাপড় বিবস্ত করার শ্রীলতা হানি ঘটে, সাক্ষী নাজমা আক্তার আগাইয়া আসিয়া আসামি গনকে বারণ করার চেষ্টা করিলে তাকেও এলোপাথাড়ি দিয়া আঘাত করিয়া আহত করে ,তখন ডাক চিৎকার শুনিয়া মামুন মিয়া আগাইয়া যাইতে দেখিয়া, আসামি ফারুক মিয়া, আল মুজাহিদ,মিস্তাবুর মর্জিনা আক্তারের গলায় পরিহিত ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন মূল্য অনুমান( ৫০,০০০) টাকা, টান মারিয়া নিয়ে নেওয়া সকল আসামি গন হত্যার হুমকি দিয়া চলিয়া যায়,তখন মর্জিনা আক্তারের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কা জনক দেখিয়া অটো গাড়ি যোগে ধর্মপাশা স্বাস্থ্য কমপ্লেসে নিয়া আসিলে কর্তব্যরত ডাক্তার মর্জিনা আক্তারকে ভর্তি করেন, পরে মামুন মিয়া বাদী হয়ে ধর্মপাশা থানা একটি মামলা দায়ের করেন, আসামি আল মুজাহিদ এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন আমি মর্জিনা আক্তার কে একটি চড় মেরেছি আর কিছু করি নাই, ধর্মপাশা থানার এস আই দিদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে,