1. admin@dailyhumanrightsnews24.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আগারগাঁও ফুটপাত দখল : প্রশাসনিক এলাকার সড়ক এখন হকারদের কবজায়…. পথচারীদের নিত্য দুর্ভোগ  কেক বিক্রেতা জাকিরের দখলে পুরো রাস্তা, জনজীবন স্থবির সানন্দবাড়ী প্রেসক্লাবে কমিটি ঘোষণা  ফুলবাড়ীতে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে গেলেন এনসিপি’র এমপি প্রার্থী ডা. আহাদ বোয়ালখালীতে রাধা গোবিন্দ সেবা মন্দিরের উদ্যোগে শারদীয় দূর্গাপূজায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  ফুলবাড়ীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা বোয়ালখালীতে একুশে পদকপ্রাপ্ত ঢোলবাদক বিনয়বাঁশী জলদাসের ১১৪ তম জন্মদিবস পালিত দেওয়ানগঞ্জে বসুন্ধরা পত্রিকার ২০ বছরপূর্তি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত  রংপুর রিজিয়ন কমান্ডারের সরেজমিন পরিদর্শন, পূজা মণ্ডপে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দশ লক্ষ টাকার নারিকেল বেচাকেনায় মুখর ফুলবাড়ী বাজার

লোহাগড়ায় সেনা সদস্য কর্তৃক ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ,ধর্ষণে সহযোগীতায় বন্ধু প্রিয়।

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪
  • ১০২ বার পঠিত

মো:আজিজুর বিশ্বাস,স্টাফ রিপোর্টার।

নড়াইলের লোহাগড়ায় এক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। আর এই ধর্ষণে সহযোগিতা করেছেন পাচুড়িয়া গ্রামের অহিদ মিস্ত্রি ও ৭/৮/৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার শেফালী বেগমের ছেলে প্রিয়,
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে পক্ষে-বিপক্ষে লেখা লেখি ও আলোচনা-সমালোচনা।

এ ঘটনায় লক্ষীপাশা, পাচুড়িয়া ও মাউলী এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, লোহাগড়া পৌর এলাকার গোপিনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা দলিল লেখক মোঃ জিয়াউর রহমান এর ছেলে সেনা সদস্য মোঃ বাকের ওরফে পিয়াস ওরফে বাকি বিল্লাহ গত চার বছর আগে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। চাকুরীর ২ বছর পর মাউলি গ্রামের আবেদ মোল্যার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের সাথে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয়।

এর পর থেকে দুজনের মধ্যে শুরু হয় প্রেমজ সম্পর্ক। মোবাইল, ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার সহ নানা মাধ্যমে তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গ কথা হতো। এমনকি নানান ভাবের ছবি-ভিডিও দেয়া-নেয়াও হতো। তাদের মধ্যে কয়েক দফায় সরাসরি দেখা-সাক্ষাত ও হয়েছে। আর তাদের এই দেখা সাক্ষাৎ ও শারীরিক সম্পর্কে সহযোগিতা করেছেন প্রিয়,প্রিয়র বাবা অহিদ মিস্ত্রি বলেন তার ছেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক কর্মচারী হিসেবে আছে ঢাকাতে আর ছেলে নির্দোষ, এ বিষয়ে প্রিয়র মা মহিলা মেম্বার শেফালী বেগম বলেন আমার ছেলে জানে যে ওই মেয়ের সাথে বাকেরের সাথে সম্পর্ক ছিল।
কিন্তু প্রিয়র নাম্বার চাইলে কোনভাবেই তার মা-বাবা নাম্বারে যোগাযোগ করিয়ে দেন নাই এবং নাম্বার দেন নাই,

অভিযুক্ত বাকের বর্তমানে টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল সেনানিবাসে কর্মরত আছেন বলে ওই ছাত্রী জানান।

ওই ছাত্রী অভিযোগ করে বলেন, চলতি বছর ২৭ জানুয়ারি সেনা সদস্য বাকের আমাকে বিয়ে করতে যাবার কথা বলে তার গ্রামের বাড়ি পাঁচুড়িয়ায় নিয়ে যায়। ঘরে ঢোকার সাথে সাথে বাকের দরজা বন্ধ করে দেয়। ঘরের বাইরে প্রিয় এবং আর একজন ছিল সহযোগিতায় তাদের সহযোগিতায় আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাকের আমাকে ধর্ষণ করে। এসময় বাকের আমাকে বলেন খুব তাড়াতাড়ি তোমাকে আমি বিয়ে করবো।এরপর ধর্ষণের কয়েক মাস পর বিয়ে করতে বললে বাকের নানা তালবাহানা শুরু করে। বাকের সহ তার আত্মীয় স্বজন ও পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলে সকলেই আমার সাথে দূর্ব্যবহার করে। তারা জানায়,বাকের অন্য কোথাও বিয়ে করেছে। পরে বাকের আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
এবং প্রিয়র সাথে আমার দুই দিন ইমুতে কথা হয়েছে।
আমাকে ২বার পাঁচুড়িয়া গ্রামের বাড়িতে নেয়া হয়েছে। প্রিয় এবং আরেকজন সহযোগিতা করেছে।
ওই ছাত্রী আরো জানান, আমি কোন উপাই না পেয়ে আমি গত ২ জুন লোহাগড়া পৌরসভার গোপিনাথপুর গ্রামস্থ্য বাকেরের বাড়িতে যাই।বাকেরের মা-বাবাকে জানাই ”আপনাদের ছেলে আমার সাথে দুই বছর যাবৎ প্রেম করেছে। এমনকি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে। আমি বাকেরকে বিয়ে করতে চাই।

এরপর স্থানীয় কিছু লোকজন ছেলের বাবা ও চাচা এবং মেয়ের বাবা কে নিয়ে ঘটনার মিমাংশার জন্য বসেন। বৈঠকে ধর্ষিতা ছাত্রী বলেন, যেহেতু আমাকে নষ্ট করা হয়েছে। বাকের কে আমাকে বিয়ে করতে হবে। না হলে আত্মহত্যা করবো। এসময় বাকেরের বাবাসহ কয়েকজন বলেন,বাকের গত ঈদের পরে বিয়ে করেছে। তাই ওই ছাত্রীকে বিয়ে করা সম্ভব নয়। ওই মেয়েকে কিছু টাকা দিয়ে মিমাংশা দিবেন বলে জানান।

এবং পরবর্তী শালিস বৈঠকে অভিযুক্ত ছেলে সেনা সদস্য কে উপস্থিত থাকতে হবে। তাই আগামী ২১ জুন শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান ওই মেয়েকে।

এদিকে ওই মেয়েটি পাচুড়িয়া যে বাড়িতে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়ছিলো সেই সম্পর্ক সাংবাদিকদের কাছে সব খুলে বলেন,পরবর্তীতে সাংবাদিকরা সরজমিনে গিয়ে মেয়ের বক্তব্য অনুযায়ী খোঁজখবর নিয়ে সেই পরিত্যক্ত বাড়ির ঘুরে আসে। এবং প্রিয়দের বাড়িতে গেলে তার বাবা অহিদ মিস্ত্রি তার ছেলের পক্ষে সাফাই গাইতে শুরু করে, সেই সাথে মহিলা মেম্বার মা শেফালী বেগম ও একই পথ বেছে নাই।
এঘটনায় অভিযুক্ত সেনা সদস্য বাকেরের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার বিভিন্ন দিনে যোগাযোগ করে ও তাকে পাওয়া যায় নাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ দৈনিক মানবাধিকার সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park