
হুমায়ূন কবীর ফরীদি, স্টাফ রিপোর্টারঃ
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে কলকলিয়া বাজারে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট।
আর মাত্র কয়েকটি দিন বাকী ১৭ ই জুন পবিত্র ঈদুল আজহা। এই ঈদকে লক্ষ্য করে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ বাজার, রসুলগঞ্জ ও জগন্নাথপুর বাজার সহ উপজেলার অন্যান্য অস্থায়ী গরুর হাট এর ন্যায় উপজেলার কলকলিয়া বাজারে অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। ১০ জুন রোজ সোমবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে ও জানাযায়, হাটে বিভিন্ন জাতের গরু,ছাগল ও বেড়া ব্যবসায়ীরা নিয়ে এসেছেন। অনেকেই সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানির পশু ক্রয় করছেন। আবার অনেকে পশু ক্রয় না করেই চলে যাচ্ছেন। কেউ কেউ গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত গরুর খামার থেকে পশু ক্রয় করবেন বলেও জানা গেছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সাথে আলাপ করে জানাযায়, অন্য বছরের তুলনায় এবার হাটে গরু,ছাগল ও বেড়ার মূল্য অনেক বেশী। যা এর আগে এতো চড়া মূল্যে বিক্রি হয়নি। এবার একদম ছোট আকারের গরু বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬৫ হাজার টাকায়। এধরনের ছোট আকারের গরু সবাই নিতে চান না। কিন্তু নিরুপায় হয়ে কেউ কেউ ক্রয় করছেন। হাটে মাঝারি ধরনের দেশী গরুর চাহিদা বেশী। এই আকারের গরু ৯০ হাজার হতে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। একটু বড় আকারের গরু এক লাখ থেকে দু’লাখ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
কোরবানির হাটে আসা আবুল মিয়া নামের এক ক্রেতা বলেন, হাটে গরু বেশি থাকলেও চাহিদা অনুয়ায়ী পাচ্ছিনা। এরমধ্যে অতিরিক্ত দাম। এখনও কিনা হয়নি। হাটে ঘুরছি।
আরেক ক্রেতা সমর আলী বলেন, গরুর মুল্য অনেক বেশী। চাহিদা অনুয়ারী গরুই নেই। অনেকক্ষণ ঘুরে দেখেছি। শেষ পর্যন্ত ফিরে যাচ্ছি। উপজেলা সদর বাজারে কিংবা কোন এক হাটে কিনবো।
হাটে আসা গরু ও ছাগল ব্যবসায়ী রহমত আলী,সাবুল মিয়া ও রতন সহ একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, হাটে দেশি গরুই বেশি। ক্রেতারা তাদের পছন্দ অনুয়ায়ী গরু কিনছেন। ন্যায়্য মূল্যের গরু ও ছাগল বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তারা।