
সালেহ আহমদ (স’লিপক):
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় অল্প বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে পৌরবাসীকে চরম ভোগান্তিতে পড়েতে হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা বেশি দুর্ভোগে পড়েন। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান মিলবে বলে জানিয়েছেন পৌর কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (১৪ জুন) দুপুরে প্রায় ২ ঘণ্টার বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় কোথাও গোড়ালি, আবার কোথাও হাঁটু পর্যন্ত পানি জমেছে। বৃষ্টি শেষ হওয়ার ৩ ঘন্টার পরও রাস্তায় পানি জমে ছিল।
ভুক্তভোগীরা জানান, পৌরসভার পক্ষ থেকে প্রায় ২০ কোটির বেশী টাকা ব্যায়ে ড্রেন পূন:নির্মাণ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কাজে আসছে না এই ড্রেন। রাস্তার চেয়ে ড্রেন অনেক উচু হওয়ায় এবং ড্রেনে পানি প্রবেশ করার রাস্তা না থাকায় অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় আবার বৃষ্টির পানির সঙ্গে ময়লা-আবর্জনা সড়কে উঠে আসে। মুষলধারে বৃষ্টি হলে নালার নোংরা পানি সড়কের পাশের বাসা-বাড়িতেও ঢুকে পড়ে। তখন অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয় সাধারণ মানুষদের। নালার ময়লা-আবর্জনার সঙ্গে মিশে রাস্তার বৃষ্টির পানি আবারো অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ে। এই অস্বাস্থ্যকর পানির ওপর দিয়ে মানুষকে চলাচল হয়।
জানা যায়, বৃষ্টির কারণে ঈদের বাজারেও মানুষের সমাগম অনেকটা কম। ২ ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে শহরের প্রধান সড়কসহ ওসমানী রোড ও শেরপুর রোডের বিভিন্ন এলাকা। কোথাও আধা ফুট আবার কোথাও কোথাও একফুট থেকে দেড়ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। যার ফলে বিপাকে পড়তে হয়েছে ব্যবসায়ীদের।
সচেতন মহল মনে করেন, যদিও নিয়মিত নালা পরিষ্কার করছে পৌরসভা। তবে শহরের বাসিন্দারা যত্রতত্র পলিথিনসহ বর্জ্য ফেলায় কিছুদিন পরপর নালা ভরাট হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
এ বিষয়ে নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমেদ চৌধুরী বলেন, জলাবদ্ধতা দূরীকরনে পৌরসভার পক্ষ থেকে ২০ কোটির অধিক টাকা ব্যয়ে ড্রেন নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে ড্রেনের কাজ শেষ হচ্ছে না। আশা করা যাচ্ছে দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে এবং নবীগঞ্জবাসী জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে ইনশাআল্লাহ।